বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
ভজনপুরে অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনায় আবেগঘন পরিবেশ, বিদায় নিলেন শিক্ষক আব্দুর রশীদ বাড়ইপাড়া শাখার শ্রমিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন, সভাপতি হুমায়ুন কবির, সম্পাদক রফিকুল গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ভুল বুঝতে পেরে প্রাক্তন প্রধান শিক্ষককে ফেরাতে শিক্ষার্থীদের আকুতি: জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন পদার্থবিজ্ঞানে পড়াশোনা করে প্রেসক্রিপশন, জগদল বাজারের ফার্মেসিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা মুন্সিগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০ লালমনিরহাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অ’ভিযান, পদ্মকলি সুইটসসহ কয়েক প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ পিআইও অফিস যেন অনিয়ম ও ঘুষের আখড়া জিপিএ-৫ পেলেই সফল হওয়া যায় না, আগে ভালো মানুষ হতে হবে’—প্রতিমন্ত্রী আজাদ সার ডিলারদের নিয়ে গুজব ছড়ানোর সুযোগ নেই: পঞ্চগড়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
আ.লীগ নেতা হত্যায় ১১ বছর পর সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

আ.লীগ নেতা হত্যায় ১১ বছর পর সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মো. শাহ জালালকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। ২০২০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সদরের চরশাহী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মান্নান ভূঁইয়াকে জবাই করে হত্যার ঘটনায় তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন আদালত। ঘটনার পর ১১ বছর তিনি পলাতক ছিলেন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান নেন।

শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাতে র‌্যাব-১১-এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সন্ধ্যায় সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের রামপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার জালাল সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের আব্দুল হক বেপারীর ছেলে।

র‌্যাব ও মামলা সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ২১ মে রাতে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা মান্নানকে জবাই করে হত্যা করা হয়। রাতেই বাড়ির পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। ঘটনার চার দিন পর নিহতের স্ত্রী আঞ্জুম আরা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ২০১৫ সালের ২ জুন জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তদন্ত করে আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। ২০২০ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শাহেনূর মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড, পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রত্যেকের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দেন বিচারক। তবে রায়ের দিন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি কফিল উদ্দিন ছাড়া বাকিরা পলাতক ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন—আবদুর রহমান ও মো. জয়নাল। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—মো. জুলফিকার, খোরশেদ আলম, ইয়াসিন আরাফাত রাফি ও মো. মুক্তার।

র‌্যাব-১১-এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মিঠুন কুমার কুণ্ডু বলেন, মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করতে র‌্যাব গোয়েন্দা কার্যক্রম চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রামপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে জালালকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নিজেকে হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি হিসেবে স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চন্দ্রগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com